এই লেখাটি 1,402 বার পড়া হয়েছে

শ্রাবস্তী নগরর বিশাখা (শ্রাবস্তী নগরের বিশাখা)

শ্রাবস্তী নগরর বিশাখা (শ্রাবস্তী নগরের বিশাখা)

রেজ্যা এক্কান এল ভিলে মগদ  নাং তার
রাজা অল’ বিম্বিসার দোল মন এল’ তার।
ভাদে কাবরে রাদ ন’ এল’ সুগে থেদাক প্রজাউনে
কোজ্যা কেরেঙগাল কিচ্ছু নেই থেদাক তারা ধরা ধোজ্যা গোরিনে।
রাজধানী রাজগৃহ এলাক সিধু মাহ্জন
মগদ রাজার কধায় শ্রেষ্ঠী তার পাঁচ জন
পাঁচ শ্রেষ্ঠীর সেরে এক্কান  নাং মেন্ডত শ্রেষ্ঠী-তে

জাগা তার ভদ্রিয়  নগর খুঝী তারা বেক্কুনে।
সারানাদত্তুন বুদ্ধ এল’ রাজগৃহ ধর্ম কধা শুনেবার
বুদ্ধ কধা গম পেই দীক্ষা লল’ রাজা বিম্বিসার
বেনুবন বিহার দিল’ রাজা বিম্বিসারে
বুদ্ধ কধা শুনিবেত্যায় এলাক মানুষ দলে দলে।

মেন্ডক শ্রেষ্ঠীর পুও ধনঞ্জয় শ্রেষ্ঠী পুদো বৌ সুমনাদেবী
মিলে পুও জনম লোইনে অলাখ তারা বেক্কুন খুঝী
দাগা-দাগিয়ে কুধুম অলাখ ভদ্রিয় নগর  বাসীয়ে
মিধে মিধে খানা – পিনেয় নাং  বঝেবাক মুনি ঋষিয়ে।
মানী – গুনী  থুবেলাক খানা-পিনে বজেলাক
রাশি চক্র চেই- দি  ‘ বিশাখা’ নাং তার বজেলাক।
দাঙর অহ্র বিশাখা দানশীল গুনবতী ওই উধি
বুদ্ধর দেশনায় – স্রোতাপত্তিয়ে ভরিল ভদ্রিয় নগরী ।

কোশল রেজ্যর রাজা প্রসেনজিত গেল চিন্তেয় ভরী
মানী -গুনী কিচ্ছু নেই কি অভ’ তার শ্রাবস্তী নগরী।
রাজার কোজোলীয়ে এলাক সুমনাদেবী লোই ধনঞ্জয় শ্রেষ্ঠী
শ্রাবস্তী  নগর সাকেত কুলান ভরি উধিল’  ফুলে – ফুলে গভীন গোরি।
শ্রাবস্তী নগরর আর এক  মাহ্জন নাং  তার মৃগার
পুও কুমার পূণবর্ধনর সমারে জদন অল’ বিশাখার
শোর ঘরত যেবার অক্তত বুঝায়  তারে দশ কধায়
মংগলীর সুর’ ধ্বনিয়ে শ্রাবস্তী নগর উম অয়।

০৯.১০.২০০৯খ্রিঃ

বাংলা

রাজ্য একটি ছিল মগদ নাম তার
রাজার নাম বিম্বিসার সুন্দর মন ছিল তার
ধন ভান্ডার অভাব ছিল না সুখে ছিল প্রজাসকল
ঝগড়া-বিবাদ ছিল না থাকতো তারা মিলে-মিশে

রাজধানী রাজগৃহে ছিল সেখানে ধনী লোক
মগদ রাজার কথায় শ্রেষ্ঠী তারা পাঁচজন
পাঁচ শ্রেষ্ঠীর  মধ্যে  একটি নাম মেন্ডেক শ্রেষ্ঠী সে
জনপদ ছিল তার ভদ্রীয় নগর খুশী তারা সবাই।

সারানাত থেকে বুদ্ধ এলেন রাজগৃহে ধর্ম বানী শুনাতে
বুদ্বের বানী ভাল লেগে দীা নিলো রাজা বিম্বিসার
বেনুবনে বিহার হলো রাজা বিম্বিসারের
বুদ্ধের বানী শুনার জন্যে এলো মানুষ দল বেঁধে।

মেন্ডক শ্রেষ্ঠীর পুত্র ধনঞ্জয় শ্রেষ্ঠীর পুত্র বধূ  সুমনা দেবী
কন্যা সন্তান জম্ম হয়ে হলো তারা সবাই খুশী
খবর পেয়ে জড়ো হলো ভদ্রীয় নগরবাসী
সুমিষ্ট পায়েস বিতরণের নাম নির্বাচন করে নেবে মনি ঋষি সবে।
জ্ঞানী-গুনী  আগমনে খাওয়া-দাওয়া শুরু হলো
রাশি চক্র চেয়ে দেখে বিশাখা নাম তার হয়ে গেলো।
বড় হচ্ছে বিশাখা দানশীল গুনবতী হয়ে
বুদ্ধের দেশনায় স্রোতাপত্তিতে ভরে গেল ভদ্রিয় নগরবাসীদের।
কৌশল রাজ্যে রাজা প্রসেনজিত চিন্তায় গেল ভরী
জ্ঞানী-গুনী কিছুই নেই কি হবে তার শ্রাবস্তী নগর,
রাজার অনুরোধে এলো সুমনা দেবীকে নিয়ে ধনজ্ঞয় শ্রেষ্ঠী
শ্রাবস্তী নগরের সাকেত কুল ভরে ওঠলো ফুলে ফুলে —-

শ্রাবস্তী নগরের আরো এক ধনী তার নাম মৃগার
পুত্র কুমার পুন বর্ধনের সঙ্গে বিয়ে হলো বিশাখার
শ্বশুরালয়ে যাত্রাকালে বুঝিয়ে দেয় তাকে দশটি উপদেশ
মাংগলীর ধ্বনীতে শ্রাবস্তী নগর উঞ্চ হয়ে ওঠে ভারী।

Print Friendly, PDF & Email

এই বিভাগের আরো লেখা পড়তে নিচের দেওয়া শিরোনাম এ ক্লিক করুন

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*
*