এই লেখাটি 846 বার পড়া হয়েছে

দ্বি আহ্ধর ভাঝ (দু’ হাতের ভাষা)

দ্বি আহ্ধর ভাঝ (দু’ হাতের ভাষা)

দ্বি আহ্ধর ভাঝ

দ্বি আহ্ধর ভাঝ,  কি দোল নাগর  মাধে
গরা দাঙর আগা সিচ্য
আঙুলুন গিরে গিরে  চুচ্যাঙ
পহ্ন পহ্ন নক্কুন নকভাঝে গায় গদর।

মা পেদর পরে কাম্য ওই উধে, কভার নেই-
গায়ানরে এঝাল দে,
এলাদে-ফেলাদে, বেরাদে – চেরাদে, উরদে পিনদে-
সাঝদে-মাদদে, খাদে-দাদে, লদে-তুলদে-
গায়ান দিগোল ওই উধদে লোংগুর তিন থেঙে তিন শিরেই।

দ্বিয়েন আহ্ধ কাম্য অয় উম ওই তাদি উধে
সুন্জুগে  বেসুন্জগে ইন্ ওই দেবঙসি ওই থায়-
গঙানিত থেবরক খেই ঘুঙুগুঙেই টাক চায়-
উভো গরে কুপ ফেলায়  অজারন আহ্ধ ফেলায়
জু তগায় জু পায় কাম গরে বলা অবলা।
তারে জিয়েন অহ্ঝায়-
অহ্ঝানা  – লারানা মাহ্ধালার সার কধায়-
আহ্ত্থান কোই উধে আলাম তুলিবের।

২৯.০১.২০১০ খ্রিঃ

বাংলা
দু’ হাতের ভাষা

দু’ হাতের ভাষা  কি অপরূপ  কিৎসা বলে
চুর্তমুখী গুছানো
আঙ্গুল গুলো সুচালো
সাদা শুভ্র নখগুলো সাজিয়ে রয়েছে।

জম্মের পরে তেজদীপ্ত  হয়ে ওঠে, বলার নেই
একাকীত্বের পাহাড়াদার,
চলা-ফেরা, পোষাক-পরিচ্ছদে সুখে-দুঃখে
হাসি-ঠাট্টা, খাওয়া-দাওয়া, দেনা-নেনায়
একাকী প্রসার হয়ে ওঠে বয়সী তিন পা তিন মুন্ডুই।

দু’ হাত কর্মঠ হয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে
কখনো শীতল হয়ে অদৃশ্যে চলে যায়
চলার পথে হুঁসত খেয়ে গর্জনে থাবা মারে
ছুড়ে মারে অকুস্থানে হাত চলে যায়
সুযোগের অপোয় কর্ম সম্পাদন করে বাঁধা হীন
যা বলা হয় তাই
কথা বার্তা অন্তঃকরণের শেষ কথা
হাতটা এগিয়ে যায় শিকড়ে সন্ধানে।

Print Friendly, PDF & Email

এই বিভাগের আরো লেখা পড়তে নিচের দেওয়া শিরোনাম এ ক্লিক করুন

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*
*